নতুন ছবি নিয়ে কলকাতায় হুমা–সাকিব, প্রচারের ফাঁকে বাঙালি খাবারের খোঁজ
কলকাতা: নতুন ছবি নিয়ে দর্শকদের কাছে পৌঁছতে কলকাতায় এলেন হুমা কুরেশি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভাই সাকিব সেলিম। শহরে এসে তাঁরা নিজেদের ছবি ‘বেবি ডু ডাই ডু’ নিয়ে কথা বলেন। প্রচারের ব্যস্ততার মধ্যেই উঠে আসে কলকাতার খাবারের কথাও।
হুমার নিজস্ব সমাজমাধ্যমের পোস্টেও কলকাতায় এসে দর্শকদের সঙ্গে ছবিটি দেখার কথা জানানো হয়েছে। সঙ্গে সাকিব এবং তাঁদের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নামও উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী।
এক নজরে
- ‘বেবি ডু ডাই ডু’ নিয়ে কলকাতায় হুমা কুরেশি
- সঙ্গে ছিলেন তাঁর ভাই ও ছবির প্রযোজক সাকিব সেলিম
- ছবিতে বেবি কর্মকারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন হুমা
- ছবিটি পরিচালনা করেছেন নচিকেত সামন্ত
- প্রচারের ফাঁকে আলু পোস্ত ও মাছের পদ নিয়ে আগ্রহের কথা উঠে আসে
- তাঁরা শেষ পর্যন্ত কী খেয়েছেন, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি
প্রচারের সঙ্গে শহরকে জানার সুযোগ
ছবির প্রচারে বিভিন্ন শহরে যেতে হয় অভিনেতাদের। কিন্তু কলকাতায় এলে আলোচনায় প্রায়ই জায়গা করে নেয় এখানকার খাবার। হুমা ও সাকিবের সফরেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
আলাপচারিতায় আলু পোস্ত এবং মনের মতো মাছের পদ খোঁজার কথা উঠে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁরা শেষ পর্যন্ত কোন খাবার বেছে নিয়েছেন বা কোথায় খেয়েছেন, সেই বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ্যে নেই।
তাই এই অংশে বাড়তি কোনও খাবারের নাম যোগ করা ঠিক হবে না। তাঁদের কলকাতা সফরের হালকা ও স্বাভাবিক মুহূর্ত হিসেবেই খাবারের আগ্রহের বিষয়টি দেখা যেতে পারে।
কী নিয়ে তৈরি ‘বেবি ডু ডাই ডু’?
‘বেবি ডু ডাই ডু’ একটি অপরাধ, রহস্য এবং রোমাঞ্চনির্ভর হিন্দি ছবি। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে বেবি কর্মকার নামে এক নারী। তিনি শুনতে ও কথা বলতে পারেন না। সাধারণ জীবনের আড়ালে তাঁর আলাদা একটি পরিচয় রয়েছে।
ছবিতে বেবির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন হুমা কুরেশি। কাহিনিতে অপরাধজগৎ, অতীতের গোপন ঘটনা এবং প্রতিশোধের বিষয় রয়েছে। রহস্য ও মারপিটের পাশাপাশি গল্পে গাঢ় রসিকতার ছোঁয়াও রাখা হয়েছে। ছবিটি ৩ জুলাই ২০২৬ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।
হুমার পাশাপাশি ছবিতে রয়েছেন সিকন্দর খের, চাঙ্কি পাণ্ডে, সীমা পাহওয়া, বিদ্যা মালভাদে এবং রচিত সিং। পরিচালক নচিকেত সামন্ত।
অভিনয়ের পাশাপাশি পারিবারিক উদ্যোগ
এই ছবির সঙ্গে হুমা ও সাকিবের পারিবারিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সেলিম সিবলিংস যুক্ত রয়েছে। ছবির প্রযোজক হিসেবে সাকিবের নাম সরকারি প্রচারসামগ্রীতে রয়েছে।
অভিনেত্রী হিসেবে ছবির প্রধান দায়িত্ব হুমার উপর। অন্যদিকে ছবির নির্মাণ ও প্রচারের দায়িত্বে সাকিবের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। সেই কারণেই কলকাতার প্রচারপর্বে দু’জনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।
ভাই-বোনের কাছে এই সফর শুধু তারকা হিসেবে কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া নয়। নিজেদের তৈরি একটি ছবি দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বও এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।
হুমার চরিত্রে কী বিশেষত্ব?
ছবির গল্পে বেবিকে এমন একজন নারী হিসেবে দেখানো হয়েছে, যিনি শুনতে ও কথা বলতে না পারলেও কঠিন পরিস্থিতিতে নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেন। তাঁর অতীত এবং বর্তমান পরিচয়কে কেন্দ্র করেই রহস্য এগোয়।
ছবির প্রচারে হুমা জানিয়েছেন, নারী চরিত্রকে শুধু বাহ্যিক আকর্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শক্তিশালী ও নিজস্ব পরিচয়সম্পন্ন করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে ছবির সম্পূর্ণ গল্প প্রকাশ না করাই ভালো। কারণ রহস্যই এই ছবির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
কলকাতা সফরের সহজ মুহূর্ত
ছবির গল্পে রয়েছে অপরাধ, রহস্য ও প্রতিশোধ। কিন্তু কলকাতার প্রচারপর্বে হুমা ও সাকিবের কথাবার্তায় ছিল অনেকটাই পরিচিত ও ঘরোয়া মেজাজ।
আলু পোস্ত ও মাছের পদের খোঁজ সেই সফরে বাঙালি ছোঁয়া যোগ করেছে। তবে যাচাই ছাড়া তাঁদের খাবারের অভিজ্ঞতা নিয়ে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
সব মিলিয়ে হুমা ও সাকিবের কলকাতা সফরে নতুন ছবির প্রচারের পাশাপাশি শহরের স্বাদ ও সংস্কৃতিকে জানার আগ্রহও সামনে এসেছে।
তথ্যসূত্র: শিল্পীর নিজস্ব সমাজমাধ্যম, ছবির সরকারি প্রচারসামগ্রী এবং প্রকাশিত চলচ্চিত্র-বিবরণ। খাবার সংক্রান্ত অংশ প্রচার অনুষ্ঠানে প্রকাশিত বক্তব্যের ভিত্তিতে।
